তাই বন্দুক নিলে হাতে (কবীর সুমন, সুমন চট্টোপাধ্যায়)
কিছুই পড়েনা পাতে
তাই বন্দুক নিলে হাতে
শাল বনের দস্যি ছেলে
এত সাহস কোথায় পেলে
শাল মহুয়ায় খুঁজি কাব্য,
ছুটি ছাটায় বেড়াতে গিয়ে
আজ কারখানা নিয়ে ভাবব
কোন সৃষ্টিকে সাথে নিয়ে
তুমি বন বাদাড়ের লোক,
শালবনের দস্যি ছেলে
বড় এক রোখা দুটো চোখ,
তাই বন্দুক খুঁজে পেলে
সাতচল্লিশ শাল থেকে শুধু
খিদেই দেখলে চেখে
কাদের অন্য কাদের খাওয়া,
বোকা ছেলের কান্না পাওয়া
অরণ্যে দিন রাত্রি,
আমি চলচ্চিত্র যাত্রী
আমি শুটিং করতে আসি
আমি সভ্যতা ভালবাসি
খোঁজ সভ্যতা কোন খানে
খোঁজ উন্নয়নের মানে
ভাব কোন পথে তুমি চলবে
বড় কারখানা গড়ে উঠবে
হবে দিন গুজরান কাজ
হবে গণতন্ত্রের সাজ
নাকি স্বপ্ন দেখবে রাতে
একা বন্দুক নিয়ে হাতে
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায় - সৈয়দ শামসুল হক
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
যখন শকুনি নেমে আসে এই সোনার বাংলায়,
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
যখন এ দেশ ছেয়ে যায় দালালের আলখাল্লায়,
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
যখন আমার স্বপ্ন লুট হয়ে যায়,
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
যখন আমার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়,
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
যখন আমারই দেশে আমারই দেহ থেকে
রক্ত ঝরে যায় ইতিহাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায়,
আসুন, আসুন তবে আজ এই প্রশস্ত প্রান্তরে
যেখানে স্মৃতির দৃধ জ্যোৎস্নার সাথে খেলা করে
তখন কে থাকে ঘুমে, কে থাকে ভেতরে
কে একা নিঃসঙ্গে বসে অশ্রুপাত করে?
সমস্ত নদীর অশ্রু অবশেষে ব্রহ্মপুত্রে মেশে..
নূরলদীনের কথা সারাদেশে পাহাড়ী নদীর মত নেমে আসে সমস্ত ভাষায়
অভাগা মানুষ যেন আবার জেগে উঠে এই আশায় যে-
আবার নূরলদীন একদিন আসিবে বাংলায়
আবার নূরলদীন একদিন কাল্ পূণির্মায় দিবে ডাক--
জাগো বাহে, কোনঠে সবাই.....
- সৈয়দ শামসুল হক (নূরলদীনের সারাজীবন)
আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি।
আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি-
তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিলো
তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিলো।
তিনি অতিক্রান্ত পাহাড়ের কথা বলতেন
অরণ্য এবং শ্বাপদের কথা বলতেন
পতিত জমি আবাদের কথা বলতেন
তিনি কবি এবং কবিতার কথা বলতেন।
জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা,
কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্য দানা কবিতা।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে,
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে,
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।
আমি উচ্চারিত সত্যের মতো
স্বপ্নের কথা বলছি
উনোনের আগুনে আলোকিত
একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলছি।
আমি আমার মায়ের কথা বলছি-
তিনি বলতেন প্রবহমান নদী
যে সাঁতার জানে না, তাকেও ভাসিয়ে রাখে।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে নদীতে ভাসতে পারে না
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে মাছের সঙ্গে খেলা করতে পারে না
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে মায়ের কোলে শুয়ে গল্প শুনতে পারে না।
আমি বর্তমানের কথা বলছি
আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি
গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি
আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি।
ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়
যুদ্ধ আসে ভালোবেসে মায়ের ছেলেরা চলে যায়।
আমি আমার ভাইয়ের কথা বলছি।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে ভালোবেসে যুদ্ধে যেতে পারে না
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে সূর্যকে হৃতপিন্ডে ধরে রাখতে পারে না।
আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি
আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি
তাঁর পিঠে রক্তজবার মত ক্ষত ছিল
কারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন।
আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো,
আমরা কি তাঁর মতো স্বাধীনতার কথা বলতে পারবো!
শ্রোতৃবর্গ, আমি তোমাদের বলছি
যেদিন প্রতিটি শব্দ সূর্যের মতো সত্য হবে
সেই ভবিষ্যতের কথা বলছি,
আমি আমার মায়ের কথা বলছি
বোনের মৃত্যুর কথা বলছি
ভাইয়ের যুদ্ধের কথা বলছি
আমি ভবিষ্যতের কবিতার কথা বলছি।
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ৭. এ প্রবিধানের কোন ধারার/ধারাসমূহের
৭. এ প্রবিধানের কোন ধারার/ধারাসমূহের অথবা অনুল্লিখিত কোন বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের অধিকার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সংরক্ষিত থাকবে এবং বোর্ডের ব্যাখ্যাই চূড়ানত্ম বলে বিবেচিত হবে।
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ৬. বোর্ডের অনুমোদিত
৬. বোর্ডের অনুমোদিত mgwš^Z শৃংখলাবিধি ও উপবিধি এ শিক্ষাক্রমের জন্য অনুসরণ করা হবে। সরকারের ১৯৮০ সনের পাবলিক এক্সামিনেশন এক্ট (সংশোধনী সহ) এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এছাড়া সরকারের সময়ে সময়ে জারীকৃত নীতিমালা অনুসৃত হবে।
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ২৫. ট্রান্সক্রিপ্ট ও সনদপত্র পরীক্ষা
২৫. ট্রান্সক্রিপ্টওসনদপত্র
৫.১ ৪র্থ,৫ম,৬ষ্ঠ,৭মও৮মপর্বেরট্রান্সক্রিপ্টইংরেজিভাষায়বোর্ডকর্তৃকপ্রদত্তহবেএবং১ম,২য়ও৩য়পর্বেরট্রান্সক্রিপ্টপ্রতিষ্ঠানইংরেজীভাষায়লিপিবদ্ধকরেঅধ্যক্ষের ¯^v¶i গ্রহণানেত্মবিতরণকরবে।
৫.২ সনদপত্রেরনামহবেইংরেজিতে“Diploma-in-Engineering”।
৫.৩ ১মহতে৮মপর্বেরধারাবাহিকমূল্যায়নওপর্বসমাপনীবোর্ডপরীক্ষায়সকলবিষয়েপ্রাপ্ত CGPAএরভিত্তিতেবোর্ডসনদপত্রপ্রদানকরবে।
৫.৪ সনদপত্রেশিক্ষাক্রমেরমেয়াদউল্লেখসহইংরেজিভাষায়প্রদানকরাহবে।
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ৪. ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও পর্ব সমাপনী পরীক্ষা
৪. ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও পর্ব সমাপনী পরীক্ষা
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ৩. নিবন্ধন
৩. নিবন্ধন
৩.১ প্রথমপর্বেভর্তিরপরবোর্ডকর্তৃকসরবরাহকৃতনিবন্ধনতথ্যফরম(RIF)পূরণকরেনির্ধারিতফিপ্রদানপূর্বকশিক্ষাক্রমেরজন্যক্লাশআরম্ভের৪৫দিনেরমধ্যেনিবন্ধনভুক্তহতেহবে।
৩.২ একজনশিক্ষার্থীররেজিস্ট্রেশনেরমেয়াদভর্তিরশিক্ষাবর্ষহতেধারাবাহিকভাবে৮(আট)শিক্ষাবর্ষপর্যন্তকার্যকরথাকবে।শিক্ষাকার্যক্রমেরপরিপন্থিকোনকাজকরলেসংশ্লিষ্টপ্রতিষ্ঠানেরশিক্ষাপরিষদেরসুপারিশঅনুযায়ীছাত্রছাত্রীদেররেজিস্ট্রেশনস্থগিত/বাতিলকরারক্ষমতাবাংলাদেশকারিগরিশিক্ষাবোর্ডেরউপরন্যস্তথাকবে।
৩.৩ একজনশিক্ষার্থীকোনটেকনোলজিতেঅধ্যয়নরতঅবস্থায়অথবাঅধ্যয়নশেষেঅন্যটেকনোলজিতেভর্তিহতেপারবেনা।অন্যকোথাওভর্তিহতেহলেসেক্ষেত্রেশিক্ষার্থীরভর্তিওরেজিষ্ট্রেশনবাতিলকরেমূল b¤^icÎ প্রতিষ্ঠানথেকেফেরতনিতেহবে।
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ২. ভর্তির নিয়মাবলি
২. ভর্তিরনিয়মাবলি
২.১ ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংশিক্ষাক্রমেভর্তি হওয়ারন্যূনতম শিক্ষাগতযোগ্যতাএসএসসিবাসমমানেরপরীক্ষায়পাস।
২.২ বোর্ডেরকেন্দ্রীয়ভর্তিকমিটিএশিক্ষাক্রমেরভর্তিরনীতিমালাপ্রণয়নকরবে।
২.৩ কেন্দ্রীয়ভর্তিকমিটিরসুপারিশকৃতনীতিমালাঅনুসারেশিক্ষাক্রমেরপ্রথমসেমিস্টারেছাত্রছাত্রীভর্তিকরাহবে।
ডিপ্লোমা - ইন - ইঞ্জিনিয়ারিং - শিক্ষাক্রম, প্রবিধান ২০১০ - ১. নাম ও কাঠামো
১. নাম ও কাঠামো
১.১বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রকৌশল ডিপ্লোমা সত্মরের শিক্ষাক্রমের নাম হবে ‘‘ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং’’।
১.২এ শিক্ষাক্রমের মেয়াদ হবে ৪বছর (৮ সেমিস্টার)।
(ক) ৭(সাত) সেমিস্টার (পর্ব) সংশ্লিষ্ট ইন্সটিটিউটে/প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হবে। এবং
(খ) ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ট্রেনিং ৮ম পর্বে শিল্প কারখানায় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে।
১.৩এ প্রবিধান বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একাডেমিক নিয়ন্ত্রণাধীন সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষ হতে ভর্তিকৃত ছাত্রছাত্রীদের জন্য কার্যকর হবে।
১.৪সকল টেকনোলজির পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) বিন্যাসে পাঠ্য বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক অংশের সাপ্তাহিক ক্লাশের সংখ্যা যথাক্রমে T (থিওরি) ও P (প্রাকটিক্যাল) দ্বারা বুঝানো হবে এবং প্রতি এক পিরিয়ডের তত্ত্বীয় ক্লাস এক ক্রেডিট-আওয়ার ও প্রতি তিন পিরিয়ডের ব্যবহারিক ক্লাস এক ক্রেডিট-আওয়ার দ্বারা নির্ধারিত হবে। তবে বাংলা, ইংরেজি ও ফিজিক্যাল এডুকেশন বিষয়ের দুই পিরিয়ডের ব্যবহারিক ক্লাশ এক ক্রেডিট-আওয়ার দ্বারা নির্ধারিত হবে। এক পিরিয়ডের সময়সীমা হবে ৫০ মিনিট। এক ক্রেডিট-আওয়ারের মান হবে ৫০ b¤^i| প্রতি বিষয়ের জন্য বিষয় কোড তার বাম পার্শ্বে লিখিত থাকবে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের বিষয়বস্তুর b¤^i বিন্যাস অনুযায়ী এ প্রবিধান প্রযোজ্য হবে।
১.৫শিক্ষাক্রম কাঠামোতে কোন টেকনোলজির বিষয়/বিষয়সমূহে পরিবর্তন ও নবায়ন এবং কাঠামোর তালিকায় নতুন বিষয়/বিষয়বস্তু সংযোজন এবং চাহিদা নেই এরূপ বিষয়/ বিষয়বস্তু প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ বোর্ড গ্রহণ করতে পারবে।
১.৬প্রতি পর্বের শিক্ষাক্রম বাসত্মবায়নের মেয়াদ হবে ১৬ কার্য সপ্তাহ। প্রতি কার্য সপ্তাহে ৩৬-৪২ পিরিয়ড অনুষ্ঠিত হবে।
১.৭যে কোন ইন্সটিটিউটে/প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বোর্ডের অনুমোদনক্রমে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের নতুন টেকনোলজি প্রবর্তন করতে পারবে। এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত টেকনোলজির ক্রেডিট ও সময়সীমা প্রচলিত শিক্ষাক্রমের অনুরূপ হতে হবে।
১.৮কৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের সনদপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের (সকল টেকনোলজির) মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও গুরুত্ব নিম্নরূপ হবে।
১.৮.১গ্রেডিং পদ্ধতি (The Grading System)
প্রতি সেমিস্টারে একজন ছাত্রছাত্রী প্রাপ্ত b¤^‡ii ভিত্তিতে লেটার গ্রেড এবং তার বিপরীতে গ্রেড পয়েন্ট (GP) অর্জন করবে। নিম্নবর্ণিত নিয়মে প্রাপ্ত b¤^‡ii ভিত্তিতে লেটার গ্রেড এবং তার বিপরীতে গ্রেড পয়েন্ট প্রদান করা হবে।
প্রাপ্ত b¤^iলেটার গ্রেডগ্রেড পয়েন্ট (GP)
৮০% এবং তার উপর A+ ৪.০০
৭৫% থেকে ৮০% এর নিচে A ৩.৭৫
৭০% থেকে ৭৫% এর নিচেA-৩.৫০
৬৫% থেকে ৭০% এর নিচেB+৩.২৫
৬০% থেকে ৬৫% এর নিচেB৩.০০
৫৫% থেকে ৬০% এর নিচেB-২.৭৫
৫০% থেকে ৫৫% এর নিচেC+২.৫০
৪৫% থেকে ৫০% এর নিচেC২.২৫
৪০% থেকে ৪৫% এর নিচেD২.০০
৪০% এর নিচেF০.০০
১.৮.২গড় গ্রেড পয়েন্ট হিসাব পদ্ধতি (Calculation of GPA)
নিম্নে সিভিল টেকনোলজি বিভাগের প্রথম পর্বে একজন শিক্ষার্থীর b¤^‡ii ভিত্তিতে GPA হিসাব পদ্ধতি দেখানো হল ঃ
Sub. codeName of the subjectTPCLetter GradeGrade Point
(GP)C×GP
1011Engineering Drawing062A3.757.50
5711Bangla223A+4.0012.00
5712English - I202A3.757.50
5911Mathematics - I334A+4.0016.00
5912Physics-I334A+4.0016.00
6711Basic Electricity334B+3.2513.00
7011Basic Workshop Practice062A3.757.50
Total 21
79.5
C = 21 (C×GP) = 79.50
GPA = (C×GP) C = = 3.79
১.৮.৩ পর্ব ভিত্তিক GPA এর গুরুত্ব
১ম পর্ব৫%
২য় পর্ব৫%
৩য় পর্ব৫%
৪র্থ পর্ব১৫%
৫ম পর্ব১৫%
৬ষ্ঠ পর্ব২০%
৭ম পর্ব২৫%
৮ম পর্ব (ইন্ডাঃ ট্রেনিং)১০%
মোট = ১০০%
CGPA(Cumulative Grade Point Average) হিসাব পদ্ধতি
পর্বপর্ব ভিত্তিক GPAগুরুত্বগুরুত্ব অনুযায়ী অংশ (X)
১ম৩.৫০৫%০.১৭৫
২য়৩.৬০৫%০.১৮০
৩য়৪.০০৫%০.২০০
৪র্থ৩.৮২১৫%০.৫৭৩
৫ম৩.৯০১৫%০.৫৮৫
৬ষ্ঠ৪.০০২০%০.৮০০
৭ম৩.৭০২৫%০.৯২৫
৮ম৩.৮২১০%০.৩৮২
৩.৮২
X = ৩.৮২
CGPA = ৩.৮২







